qq7 শুধু একটা গেমিং সাইট নয় — এটা বাংলাদেশের ক্রীড়াপ্রেমী মানুষের একটা ডিজিটাল ঠিকানা। ২০২০ সালে যাত্রা শুরু করে আজ আমরা পাঁচ লক্ষেরও বেশি সক্রিয় সদস্যের একটি কমিউনিটি তৈরি করেছি।
প্রতিটি বিষয়ে আমরা বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের কথা মাথায় রেখে কাজ করি
qq7 আন্তর্জাতিক গেমিং লাইসেন্সের আওতায় পরিচালিত। প্রতিটি লেনদেন SSL এনক্রিপশনে সুরক্ষিত। আপনার তথ্য ও অর্থ সব সময় নিরাপদ।
বাংলাদেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং — বিকাশ, নগদ ও রকেটে ডিপোজিট ও উইথড্র। গড় উইথড্র সময় মাত্র ১৫ মিনিট।
qq7-এর পুরো ইন্টারফেস বাংলায়। সাপোর্ট টিম বাংলায় কথা বলেন। আপনাকে কোনো ইংরেজিতে যোগাযোগ করতে হবে না।
বাংলাদেশের প্রতিটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ qq7-এ কভার হয়। প্রতি বলে অডস আপডেট, ২৪৭টি বেটিং মার্কেট, লাইভ স্কোরকার্ড।
qq7 অ্যাপ ডিজাইন করা হয়েছে বাংলাদেশের মোবাইল ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে। ২৩ MB APK, দুর্বল নেটওয়ার্কেও দ্রুত চলে।
খেলোয়াড়দের সুস্থতা আমাদের অগ্রাধিকার। ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন ও কুলিং অফ টুল — সব কিছু নিজের নিয়ন্ত্রণে।
২০২০ সালের শুরুর দিকে, যখন পুরো দেশ লকডাউনে আটকে — ঠিক সেই সময়ে qq7 তৈরি করার পরিকল্পনা শুরু হয়। তখন বাংলাদেশের বেশিরভাগ অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম ছিল বিদেশি, ইংরেজিতে, এবং বাংলাদেশি পেমেন্ট পদ্ধতি সমর্থন করত না। বিকাশে ডিপোজিট করতে পারবেন না, বাংলায় সাপোর্ট পাবেন না, মোবাইলে ঠিকমতো চলে না — এই সমস্যাগুলো সবাই বুঝতেন, কিন্তু কেউ সমাধান করছিল না।
qq7 তৈরি হয়েছে সেই শূন্যস্থান পূরণ করতে। একটি টিম, যারা নিজেরাও বাংলাদেশে বড় হয়েছেন এবং ক্রিকেটের গভীর ভক্ত, তারা মিলে তৈরি করলেন এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেটা বাংলাদেশের জন্য বাংলাদেশের মানুষের কথা ভেবে বানানো।
প্রথম বছরে qq7-এর সদস্য ছিল মাত্র কয়েক হাজার। কিন্তু মুখে মুখে পরিচিতি ছড়িয়ে পড়ে দ্রুত। যারা একবার qq7-এ বিকাশে ডিপোজিট করেছেন এবং সহজে উইথড্র করতে পেরেছেন, তারা নিজেরাই বন্ধু-পরিচিতদের বলেছেন। সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতেই আজ qq7 পাঁচ লক্ষেরও বেশি সদস্যের একটি কমিউনিটি।
বাংলাদেশ-ভিত্তিক দল: qq7-এর সাপোর্ট টিম, কন্টেন্ট টিম এবং পেমেন্ট টিম সম্পূর্ণ বাংলাদেশ থেকে পরিচালিত। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট — বিভিন্ন জেলার মানুষ মিলে কাজ করছেন।
qq7-এর সবচেয়ে বড় শক্তি হলো এর ব্যবহারকারীরা। আমরা প্রতিটি ফিচার তৈরির আগে সদস্যদের মতামত নিই। কোন পেমেন্ট পদ্ধতি যোগ করতে হবে, কোন খেলার মার্কেট বাড়াতে হবে, মোবাইল অ্যাপে কী সমস্যা হচ্ছে — এই তথ্যগুলো আমাদের সদস্যরাই দেন এবং আমরা সেটা বাস্তবায়ন করি। এই চক্রটাই qq7-কে প্রতিনিয়ত আরও ভালো করছে।
বাংলাদেশে ক্রিকেট একটি আবেগের নাম। বাংলাদেশ জাতীয় দলের ম্যাচের দিন qq7-এ যে উত্তেজনা থাকে, সেটা বর্ণনা করা কঠিন। লক্ষাধিক মানুষ একযোগে লাইভ বেটিং করছেন, চ্যাটে আলোচনা হচ্ছে, প্রতিটি উইকেটে উত্তেজনা বাড়ছে — এই অনুভূতিটা তৈরি করতে পেরেছি বলেই qq7 আজ এই জায়গায় এসেছে।
তবে আমরা শুধু ক্রিকেটেই সীমাবদ্ধ থাকিনি। ফুটবলের মরশুমে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ, La Liga, এমনকি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের কভারেজও আছে qq7-এ। লাইভ ক্যাসিনো বিভাগে রিয়েল ডিলারের সাথে ব্যাকারেট, রুলেট এবং বিভিন্ন কার্ড গেম পাওয়া যায়। আর যাদের বেটিংয়ে সেভাবে আগ্রহ নেই, তাদের জন্য প্রতিদিনের ফ্রি ড্র লটারি — বিনামূল্যে অংশ নেওয়া যায়, নগদ পুরস্কার জেতার সুযোগ থাকে।
নিরাপত্তার বিষয়ে qq7 কখনো আপোষ করে না। প্রতিটি সদস্যের ব্যক্তিগত তথ্য ও আর্থিক তথ্য সর্বোচ্চ নিরাপত্তায় সংরক্ষিত। কোনো তৃতীয় পক্ষের কাছে তথ্য বিক্রি করা হয় না — এটা আমাদের গোপনীয়তা নীতির মূল কথা। আর প্রতিটি গেম আন্তর্জাতিকভাবে অডিটকৃত র্যান্ডম নম্বর জেনারেটর ব্যবহার করে — তাই ফলাফলে কোনো কারচুপির সুযোগ নেই।
পাঁচ বছরে অনেক কিছু বদলেছে। প্রতিটি মাইলস্টোন আমাদের সদস্যদের সাথে মিলে তৈরি।
qq7 তৈরির শুরু থেকে এই মূল্যবোধগুলো আমাদের প্রতিটি সিদ্ধান্তে কাজ করে
যা বলি তা করি। পেআউটে কখনো দেরি করার কোনো কারণ নেই — সময়মতো টাকা ফেরত দেওয়াই আমাদের প্রতিশ্রুতি।
আমরা বাংলাদেশের জন্য। বাংলায়, বাংলাদেশি পেমেন্টে, বাংলাদেশের ক্রীড়া ইভেন্টকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে।
প্রতিটি গেম ফেয়ার, প্রতিটি বোনাসের শর্ত স্বচ্ছ। কোনো লুকানো শর্ত বা অতিরিক্ত ফি নেই।
গেমিং বিনোদনের জন্য, আসক্তির জন্য নয়। সদস্যদের সীমা নির্ধারণে সাহায্য করা আমাদের দায়িত্ব।
বাংলাদেশ থেকে পরিচালিত একটি নিবেদিতপ্রাণ দল
qq7 কখনো মনে করেনি যে শুধু বেশি গেম যোগ করলেই প্ল্যাটফর্ম ভালো হয়ে যায়। আমাদের লক্ষ্য ছিল এবং এখনো আছে — প্রতিটি সদস্যের জন্য সেরা অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা। একজন মানুষ যখন কষ্টের টাকা ডিপোজিট করেন এবং জিতলে সেই টাকা সময়মতো ফেরত পান, সেই মুহূর্তটাই আমাদের সাফল্য।
আগামী কয়েক বছরে qq7 আরও কিছু পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। ক্রিকেটের পাশাপাশি কাবাডি, হকি এবং বাংলাদেশের স্থানীয় খেলাধুলার কভারেজ বাড়ানো হবে। ই-স্পোর্টস বিভাগও আসছে — কারণ দেশের তরুণ প্রজন্ম গেমিংয়ে অনেক আগ্রহী।
আমাদের লক্ষ্য ২০২৬: ১০ লক্ষ নিবন্ধিত সদস্য, উইথড্র সময় ৫ মিনিটের নিচে নামিয়ে আনা, এবং বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা থেকে সক্রিয় সদস্য নিশ্চিত করা।
দায়িত্বশীল গেমিংয়ে qq7-এর বিনিয়োগ আরও বাড়ানো হবে। শুধু টুল যোগ করা নয় — সদস্যদের সচেতন করতে কন্টেন্ট, গাইড এবং সাপোর্ট লাইন আরও শক্তিশালী করার কাজ চলছে। কারণ একজন সচেতন খেলোয়াড় দীর্ঘদিন ধরে খেলতে পারেন — এটাই qq7-এর জন্যও ভালো, সদস্যের জন্যও ভালো।
সর্বশেষ কথা — qq7 একটা ব্যবসা, কিন্তু শুধু ব্যবসার জন্য নয়। আমরা বিশ্বাস করি যে সৎভাবে কাজ করলে, সদস্যদের সম্মান দিলে, তাদের কথা শুনলে — দীর্ঘমেয়াদে সাফল্য আসেই। গত পাঁচ বছরের পথচলা সেটাই প্রমাণ করেছে।
লাইভ ক্যাসিনো ও প্রমোশন সংক্রান্ত জিজ্ঞাসা
পাঁচ লক্ষ খেলোয়াড়ের বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্ম। বিনামূল্যে নিবন্ধন করুন, ২০০% ওয়েলকাম বোনাস পান এবং আজই খেলা শুরু করুন।